Skip to main content

রবার্ট আর্থার জুনিয়র (Robert Arthur Jr.)


রবার্ট আর্থার ছিলেন একজন আমেরিকান লেখক। তিনি ১৯০৯ সালের ১০ই নভেম্বর জন্মগ্রহ করেন। তার লেখা "মিস্টিরিয়াস ট্রাভেলার" রেডিও সিরিজ এবং" দা থ্রী ইনভেসটিগেটরস" যা বাংলায় "তিন গোয়েন্দা" নামে অনুবাদিত হয়। তার এই দুই সিরিজ খুব জনপ্রিয়তা পায়।

তিনি দুবার পদক দ্বারা সম্মানিত হন (Edgar Award) আমেরিকান মিস্টিরি লেখক হতে, বেস্ট রেডিও ড্রামার জন্য। তিনি টেলিভিশনের জন্যও সিরিজ লিখেছিলেন যেমন "দা টুইলাইট জোন" এবং "আলফ্রেড হিচকক" টিভি শো। ব্যাক্তিগত জীবন-তিনি ফিলিপাইনের ফোর্ট মিলস, কোরিগেটর আইলেন্ডে জন্ম গ্রহন করেন।

তার পিতা ছিলেন আমেরিকান সেনাবাহিনিতে ল্যাফটেন্যান্ট পদে কর্মরত। তার বাবার বদলির জন্য তার ছেলেবেলা কেটেছে বিভিন্ন জায়গায়। তিনি তার বাবার মত মিলিটারী ক্যারিয়ার পছন্দ করেননি। তিনি ১৯২৬ সালে ভার্জিনিয়ার  উইলিয়াম এন্ড মেরি কলেজে ভর্তি হন। এরপর তিনি ১৯৩০ সালে ইউনিভার্সিটি অফ মিসিগান থেকে ইংরেজী বিভাগে গ্রাজুয়েশন করেন।

রবার্ট আর্থার জুনিয়র
গ্রাজুয়েশনের পর তিনি সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছিলেন। পরে তিনি ১৯৩২ সালে ইউনিভার্সিটি অফ মিসিগান থেকে সাংবাদিকতা বিষয়ে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ১৯৬৪ সালে এই সিরিজের (দা থ্রী ইনভেসটিগেটরস) "দা সিক্রেট অফ টেরর ক্যসল" বইটি প্রকাশ করেন। এই সিরিজটি ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। এই সিরিজটি পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদিত হয়েছে। ভারতে রাংগা, গংগা ও সিরাজী নামে, পাকিস্হানে উম্বার, নাসিম ও আকিব নামে অনুবাদিত হয়। পাকিস্হানে সলিম আহমেদ সিদ্দিকী ও মকবুল জাহাংগীর তিন গোয়েন্দার ভার্সনের অনুবাদক।

বাংলাদেশে সেবা প্রকাশনী ১৯৮৫ সালে প্রথম তিন গোয়েন্দা প্রকাশ করে। অনুবাদ করেন রকিব হাসান। জার্মান ও অস্ট্রিয়া "দা থ্রী ইনভেসটিগেটরস (দা সিক্রট অফ টেরর ক্যসল ও কংকাল দ্বীপ)" নিয়ে দুটি চলচ্চিত্র নির্মান করে। রবার্ট আর্থার ১৯৬৯ সালের ২রা মে ফিলাডেলফিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন।

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

সক্রেটিস

সক্রেটিস ছিলেন এক জন মহান দার্শনিক ছিলেন। তার জন্ম হয়েছিল খ্রীস্টপূর্ব ৪৬৯ সনে গ্রীসের এথেন্সে। তার দার্শনিক আদর্শ ও মূল্যবোধ দুই হাজারের ও বেশী সময় ধরে পাশ্চাত্য সভ্যতা, দর্শন ও সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করেছে। সক্রেটিসের জীবন ও দর্শন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়না। তার  জীবন ও দর্শন সম্পর্কে তিনটি উৎস উল্লেখযোগ্য, প্লেটোর ডায়ালোগ, এরিস্টোফেনিসের নাটক ও
জেনোফোনের ডায়ালগ। সক্রেটিস নিজে কিছু লিখেছেন এরকম কোনো প্রমান পাওয়া যায়না।
প্লেটোর বর্ননা থেকে জানা যায় সক্রেটিসের বাবার নাম সফ্রোনিস্কাস,আর তিনি একজন স্হপতি ছিলেন। তার মায়ের নাম ফিনারিটি, তিনি একজন ধাত্রী ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম জ্যানথিপ।
তার সংসারে খুব অভাব অনটন। সংসারের অভাব অনটন ভুলতে তিনি বেশীরভাগ সময় দার্শনিক আলোচনায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। সক্রেটিস তার দর্শন প্রচারের জন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেননি। হাটবাজার , রাস্তাঘাট যেকোনো জায়গায় তিনি সব বয়সের মানুষের সাথে বিনামূল্যে দার্শনিক আলোচনা করতেন। সুফিদের মতো অর্থের বিনিময়ে শিক্ষা করা তিনি ঘৃনা করতেন। তিনি বলতেন, আমি জ্ঞানী  নই, জ্ঞানুসারী মাত্র। "একটি জিনিসই আমি শুধু জা…

হেনরি ডুনান্ট

হেনরি ডুনান্ট একজন সুইস সমাজকর্মী ও ব্যবসায়ী ছিলেন।তিনি ৮ই মে, ১৮২৮ সালে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৮৫৯ সালে ইতালিতে ব্যবসায়িক কাজে যান এবং সেখানে তিনি সালফেরিনো যুদ্ধ পরিদর্শন করেছেন। তিনি সালফেরিনোর যুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে সালফেরিনোর স্মৃতি নামে বই রচনা করেছিলেন। এটি তাকে ১৮৬৩ সালে আন্তজার্তিক রেডক্রস সোসাইটি কমিটি গঠনে অনুপ্রানিত করে।
১৮৬৪ সালে ডুনান্টের ধারনা নিয়ে জেনেভা কনভেনসন গঠিত হয়।১৮৫৯ সালের সালফেরিনো যুদ্ধে প্রায় ৪০০০০ সৈন্য আহত ও মারা যায়,তখন তাদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার কেউ ছিলনা।
হেনরি তখন পাশের গ্রামের পাদরিদের কাছে তাদের সেবা দেওয়ার অনুরোধ জানান।
তার কথায় পাদরিরা তখন গ্রামের লোকজনের কাছে আহত সৈনিকদের সেবার জন্য আবেদন করে, এতে পুরুষরা রাজী না হলেও নারিরা যেতে রাজী হয়েছিল।সোখান থেকে ফেরার পর তিনি মানব কল্যানে কাজ শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পান। হেনরি মানব কল্যানে তার সব সম্পত্তি বিলিয়ে দিয়েছিলেন।১৬টি দেশ নিয়ে রেডক্রস প্রথম যাত্রা শুরু করে, এখন এর সদস্য সংখ্যা
১৮৮ | এটি বর্তমানে পৃথিবীর সর্ববৃহত সেচ্ছাসেবী ও মানবতাবাদী প্রতিষ্ঠান।
রেডক্রস সাদাকালো, হিন্দু ম…

মনিপুরী তাতশিল্প

মনিপুরী তাতশিল্প বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্য।  মনিপুরীরা বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে বসবাস করে। আঠারশ শতক থেকে মনিপুরীরা এখানে বসবাস করছে। মনিপুরী নারীদের হাতেবোনা তাতের জন্য অনেক সুখ্যাতি রয়েছে।   শ্রীমন্গল ও মৌলভীবাজার জেলার কমলগন্জের ৬০টি গ্রাম মনিপুরী তাতশিল্পের জন্য বিখ্যাত। মনিপুরী নারীদের তাতশিল্পকে তাদের সমাজে বিয়ের খেত্রে পূর্ব অভিগ্গতা হিসেবে ধরা হয়।    মনিপুরীদের বস্ত্র তৈরীর কল তিন ধরনের যেমন কোমরে বাঁধা তাত,
হ্যান্ডলুম তাত ও থোয়াং।  মনিপুরীরা এই তাতগুলো দিয়ে লেডিস চাদর, মাফলার, তোয়ালে,শাড়ী, গামছা, মশারী, স্কার্ফ,টেবিল ক্লথ ইত্যাদি। নিজেদের প্রয়োজন মিটাতেই মনিপুরী সম্প্রদায়দের মধ্যে তাত শিল্প গড়ে উঠেছিল। এখন বাংগালী সমাজেও ওদের তাত শিল্পের সামগ্রী ব্যাবহৃত ও সৌখীন্য।
মনিপুরীদের তৈরী নকশী ওড়না, নকশী শাড়ী ও ডিজাইনের শীতের চাদর বাংগালী সমাজে খুবই নন্দিত। গ্রীষ্মকালে  মনিপুরীরা তুলার সূতা ব্যাবহার করে।  এবং শীতকালে তারা
উল ও পলেস্টারের সূতা ব্যাবহার করে। বর্তমানে বাজার থেকে তারা সূতি সূতা কিনে।
মনিপুরীরা খুবই আকর্ষনীয় রংয়ের ফানেক তৈরী করে। প্রতদিন পরার জন্য তারা সমতল …