Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2017

বাঁশ ও বেতের শিল্প

বাঁশ ও বেতের শিল্প বাংলাদেশের একটি প্রাচীন শিল্প। অাগে বাঁশ ও বেতের গৃহস্হালি তৈরীর জন্য আলাদা এক সম্প্রদায় ছিল, তাদের বলা হতো হাঁড়ি সম্প্রদায়। এ শিল্প বিশেষ এলাকা ভিত্তিক হলেও মোটামোটি সারা দেশ জুড়েই ছড়িয়ে আছে। বাঁশ হচ্ছে এক ধরনের বড় ঘাস শ্রেনীর।

কয়েক ধরনের বাঁশের মধ্যে শুধু মাকলা বাঁশ দিয়ে গৃহস্হালি উপকরন ও সৌখিন জিনিসপত্র বানানো সম্ভব। সারা দেশ জুড়েই বাঁশ শিল্প ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সহজলভ্য হওয়ায় এ পন্যের গ্রহনযোগ্যতাও অনেক বেশী। বাংলাদেশে উচ্চ, মধ্য ও নিম্ন সব পরিবারেই এর ব্যবহার দেখা যায়।

শহরের থেকে গ্রামেই বাঁশের তৈরী উপকরনের চাহিদা ও ব্যবহার বেশী। বাঁশের তৈরী বিভিন্ন উপকরন যেমন, ডালা, কুলা, ঝাড়ু, খলই, ঝাকা, চালুনি, চাতাল, মাথাল, পলো, ছিপ, মাছ ধরার চাই, বাঁশের টুকরি, হাতপাখা ইত্যাদি।

এছাড়া নানাপ্রকার শৌখিন জিনিস তৈরী করা হয় যেমন, ফুলদানি, বুকসেলফ, মোড়া, ওয়ালম্যাট, শোপিস, চামচ, খূন্তি, কলমদানি, খেলনা সামগ্রি ইত্যাদি। চেয়ার, টেবিল, সোফা, ডাইনিং টেবিল, অফিস পার্টিসন, আলমারী ইত্যাদি তৈরীতে গোল্লা বেতের প্রয়োজন। দেশে গোল্লা বেতের সরবরাহ কম হওয়াতে ভারত,মায়ানমার ও ইন্দোনেশিয়া থেকে এই বেত …

সক্রেটিস

সক্রেটিস ছিলেন এক জন মহান দার্শনিক ছিলেন। তার জন্ম হয়েছিল খ্রীস্টপূর্ব ৪৬৯ সনে গ্রীসের এথেন্সে। তার দার্শনিক আদর্শ ও মূল্যবোধ দুই হাজারের ও বেশী সময় ধরে পাশ্চাত্য সভ্যতা, দর্শন ও সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করেছে। সক্রেটিসের জীবন ও দর্শন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়না। তার  জীবন ও দর্শন সম্পর্কে তিনটি উৎস উল্লেখযোগ্য, প্লেটোর ডায়ালোগ, এরিস্টোফেনিসের নাটক ও
জেনোফোনের ডায়ালগ। সক্রেটিস নিজে কিছু লিখেছেন এরকম কোনো প্রমান পাওয়া যায়না।
প্লেটোর বর্ননা থেকে জানা যায় সক্রেটিসের বাবার নাম সফ্রোনিস্কাস,আর তিনি একজন স্হপতি ছিলেন। তার মায়ের নাম ফিনারিটি, তিনি একজন ধাত্রী ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম জ্যানথিপ।
তার সংসারে খুব অভাব অনটন। সংসারের অভাব অনটন ভুলতে তিনি বেশীরভাগ সময় দার্শনিক আলোচনায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। সক্রেটিস তার দর্শন প্রচারের জন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেননি। হাটবাজার , রাস্তাঘাট যেকোনো জায়গায় তিনি সব বয়সের মানুষের সাথে বিনামূল্যে দার্শনিক আলোচনা করতেন। সুফিদের মতো অর্থের বিনিময়ে শিক্ষা করা তিনি ঘৃনা করতেন। তিনি বলতেন, আমি জ্ঞানী  নই, জ্ঞানুসারী মাত্র। "একটি জিনিসই আমি শুধু জা…

মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ী

মুূড়াপাড়া জমিদার বাড়ীটি নারায়নগন্জের রূপগন্জ থানায় অবস্হিত। এটার দূরত্ব ঢাকা থেকে ২৫ কি.মি এবং এটা নরসিংদি রোডে অবস্হিত। ১৮৮৯ সালে জমিদার রামরতন ব্যানার্জী ৪০ হেক্টর জমির উপর নির্মান করেন। তিনি ছিলেন নাটোর স্টেটের কোষাধ্যখ্খ এবং তিনি সততার জন্য উচ্চ পদে উন্নীত হন। তিনি বাড়ীটির ভিত্বি ও কাঠামো তৈরী করেন। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র প্রতাপ চন্দ্র ব্যানার্জী একই বছর তার পুরানো বাড়ীর পেছনে আরেকটি প্রাসাদ তৈরী করেন। বিশাল জমিদার বাড়ীটিতে একশতর উপর কখ্খ রয়েছে। আর সবগুলো ঘরই কারুকার্য করা।
আর এ জমিদার বাড়ীটিতে আছে অতিথিশালা, কাছারিঘর, নাচঘর,
বৈঠকখানা, পূজামন্ডপ, ভাড়ার ঘর সহ বিভিন্ন অংশ। জগদিশ চন্দ্র ব্যানার্জী ১৯০৯ সালে এই ভবনটি সম্পন্ন করেন এবং তিনি নিজেই একজন জমিদার হয়ে ওঠেন। জগদিশ চন্দ্র ব্যানার্জী একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। তিনি দিল্লীর দুইবার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন।
তিনি প্রজাদের জন্য অনেক কিছু তৈরী করেছিলেন। তিনি প্রজাদের প্রতি অনেক কঠোর ও ছিলেন।
তিনি ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্তির সময় কলকাতা চলে যান। কোনো প্রজা যদি সময়মতো খাজনা না দিত, তাহলে তিনি তাদের মাথার চুল ছেটে দিতেন। আবার অনেক সম…