Skip to main content

Posts

রবার্ট আর্থার জুনিয়র (Robert Arthur Jr.)

রবার্ট আর্থার ছিলেন একজন আমেরিকান লেখক। তিনি ১৯০৯ সালের ১০ই নভেম্বর জন্মগ্রহ করেন। তার লেখা "মিস্টিরিয়াস ট্রাভেলার" রেডিও সিরিজ এবং" দা থ্রী ইনভেসটিগেটরস" যা বাংলায় "তিন গোয়েন্দা" নামে অনুবাদিত হয়। তার এই দুই সিরিজ খুব জনপ্রিয়তা পায়।
তিনি দুবার পদক দ্বারা সম্মানিত হন (Edgar Award) আমেরিকান মিস্টিরি লেখক হতে, বেস্ট রেডিও ড্রামার জন্য। তিনি টেলিভিশনের জন্যও সিরিজ লিখেছিলেন যেমন "দা টুইলাইট জোন" এবং "আলফ্রেড হিচকক" টিভি শো। ব্যাক্তিগত জীবন-তিনি ফিলিপাইনের ফোর্ট মিলস, কোরিগেটর আইলেন্ডে জন্ম গ্রহন করেন।
তার পিতা ছিলেন আমেরিকান সেনাবাহিনিতে ল্যাফটেন্যান্ট পদে কর্মরত। তার বাবার বদলির জন্য তার ছেলেবেলা কেটেছে বিভিন্ন জায়গায়। তিনি তার বাবার মত মিলিটারী ক্যারিয়ার পছন্দ করেননি। তিনি ১৯২৬ সালে ভার্জিনিয়ার  উইলিয়াম এন্ড মেরি কলেজে ভর্তি হন। এরপর তিনি ১৯৩০ সালে ইউনিভার্সিটি অফ মিসিগান থেকে ইংরেজী বিভাগে গ্রাজুয়েশন করেন।
গ্রাজুয়েশনের পর তিনি সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছিলেন। পরে তিনি ১৯৩২ সালে ইউনিভার্সিটি অফ মিসিগান থেকে সাংবাদিকতা বিষয়ে এম.এ ডিগ্রী লাভ…
Recent posts

টমাস আলভা এডিসন

টমাস আলভা এডিসন ছিলেন মার্কিন বিজ্ঞানি। টমাস আলভা এডিসন ১৮৪৭ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি  যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও, মিলানে

জন্মগ্রহন করেন।  তিনি বৈদ্যুতিক বাতি, গ্রামোফোন ও ভিডিও ক্যামেরাসহ বহু যন্ত্র উদ্ভাবন করেন যা
বিংশ শতাব্দির জীবনকে প্রভাবিত করেছে। বিজ্ঞানীদের ইতিহাসে তিনি একজন উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানী। তার নিজের নামে ১০৯৩টি মার্কিন পেটেন্ট সহ ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পেটেন্ট রয়েছে।
টেলিযোগাযোগ খাতে তার উদ্ভাবনের জন্য তিনি সর্বস্বীকৃত। তার উদ্ভাবনের মধ্যে ভোট ধারনকারি যন্ত্র, স্টক টিকার,বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারী, বৈদ্যুতিক শক্তি, ধারনযোগ্য ছবি ও সংগীত।
তিনি জীবনের প্রথম দিকে টেলিফোন অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। ব্যবসা বানিজ্য, কারখানা ও বাসাতে বিদ্যুত শক্তি উৎপাদন ও বন্টনের ধারনা তার হাত দিয়ে শুরু হয় , যা শিল্পজগতের উন্নয়নে একটা যুগান্তকারি ঘটনা।নিউইয়র্কের ম্যানহাটন দ্বীপে প্রথম বিদ্যুত কেন্দ্র স্হাপিত হয়।
তার পিতার নাম স্যামুয়েল অগডেন এডিসন ও মাতার নাম ন্যানসি ম্যাথিউস এলিয়েটর।
তিনি ছিলেন তার পিতামাতার সপ্তম ও সর্বশেষ সন্তান। ১৮৭১ সালের ২৫শে ডিসেম্বর তিনি মেরি স্টিলওয়েলকে বিয়ে করেন। তাদের ত…

স্রেয়া ঘোষালের গান

গান- রূপকথারা
এলবাম- অপরাজিতা তুমি
শিল্পি- স্রেয়া ঘোষাল
গীতিকার- সান্তানু মৈত্র

কথা-
শহরে হঠাৎ আলোচলাচল, জোনাকি নাকি স্মৃতিদাগে
কাঁপছিল মন, নিরালা রকম ডাকনাম নামল পরাগে |

কে হারায় ইশারায়
সাড়া দাও ফেলে আসা গান
রূপকথারা রা রা রা রা
চুপকথারা রা রা রা রা
ফুরফুরে এক রোদের জন্মদিন !

মন পাহারা রা রা রা রা
বন্ধুরা রা রা রা রা
আজ খোলা আলটুসি ক্যান্টিন !

বোবা ইমারত, অকুলানো অনুরাগে, শালিকের সৎ অনুরাগে,
বলেছে আবার জানালার ধার, ধার-বাকি হাতে চিঠি জাগে !

কে হারায় ইশারায়
সাড়া দাও ফেলে আসা গান
রূপকথারা রা রা রা রা
ফুরফুরে এক রোদের জন্মদিন !

মন পাহারা রা রা রা রা
বন্ধুরা রা রা রা রা
আজ খোলা আলক্যান্টিন !
রোদেলা বেলার, কবিতা খেলার, শীত- ঘুম বইয়ের ভাঁজে,
বেসামাল ট্রাম, মুঠোর বাদাম, জ্বালাতনে গাংচিলটাযে।
ঝরে একাকার, বালিধুলো তার, তুলো তুলো বেখায়াল।

হঠাৎ শহর, পুরনো মোহর, মহড়া সাজানো আবডালে ।
লজ্জা চিবুক, বানবাসি সুখ, শুক-সারি গল্প নাগালে।

কে হারায়  ইশারায়
সাড়া দাও ফেলে আসা গান
রূপকথারা রা রা রা রা
চুপকথারা রা রা রা রা
ফুরফুরে এক রোদের জন্মদিন !

মন পাহারা রা রা রা রা
বন্ধুরা রা রা রা রা
আজ খোলা আলটুসি ক…

তাজহাট জমিদার বাড়ি

তাজহাট জমিদার বাড়িটি রংপুর জেলার অদূরে তাজহাট নামক স্হানে অবস্হিত।
এটি একটা ঐতিহাসিক প্রাসাদ যা বর্তমানে যাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি রংপুর শহর থেকে দক্ষিনপূর্ব দিকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্হিত।  পর্যটকদের কাছে এটি একটা আকর্ষনিয় স্হান।

ইতিহাস- বিংশ শতাব্দির শুরুর দিকে বাড়িটি মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায় নির্মান করেন।
তিনি ছিলেন হিন্দু ও পেশায় ছিলেন একজন স্বর্নকার। মহারাজা গোপাল রায়ের মনোরোম মুকুটের জন্য এলাকাটি তাজহাট নামে পরিচিতি লাভ করে আসছে। মহারাজা গোপাল রায়ের মনোরোম মুকুটের জন্য এলাকাটি তাজহাট নামে পরিচিতি লাভ করে আসছে। ভবনটি ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত রংপুর হাইকোর্ট বাংলাদেশ সুপ্রীম একটা শাখা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৫ সালে ভবনটিকে প্রত্নতাত্তিক স্হাপনা হিসেবে ঘোষনা করে।
    ২০০৫  সালে বাংলাদেশ সরকার এই স্হাপনার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুভব করে   রংপুর যাদুঘরটি এই ভবনের দোতালায় নিয়ে আসে।   এই বাড়ির সিড়িগুলো মার্বেল পাথরের তৈরী।
যাদুঘরে রয়েছে বেশ কয়েকটা প্রদর্শনী কক্ষ এবং এতে রয়েছে দশম ও একাদশ শতাব্দির টেরাকোটা শিল্প কর্ম।  এখানে আরো রয়েছে সংস্কৃতি ও আরবী ভাষায় লেখা বে…

মোমের গোলাপ তৈরী

ঘরে বসে মোম দিয়ে সহজেই গোলাপ তৈরী করা যায়। দেখে জটিল মনে হলেও আসলে তেমন জটিল নয়। এটি তৈরী করতে উপকরন কম লাগে।




এটা তৈরী করতে লাগবে প্রয়োজনীয় উপকরন -



গোলাপি রংয়ের গলানো কিছু মোম
সাদা রংয়ের মোমবাতি
মোটা রশি যা সলতে হিসেবে ব্যবহার হয়
ফুটন্ত গরম পানি
একটা লাঠি
ছুরি



তৈরী পদ্ধতি
একটা বাটিতে গোলাপি রংয়ের মোম ও সাদা রংয়ের কোরানো মোম নিন।
খেয়াল রাখতে হবেযে গোলাপী রংয়ের মোমের অংশ যেন বেশী থাকে।

এরপর একটা গামলায় গরম পানি নিয়ে মোমের বাটির উপর বসিয়ে
দেন, যেন মোম গলে যায়।  মাঝে মাঝে লাঠি দিয়ে মোম দুটিকে মিশিয়ে দিতে হবে।
একটা কাঠের বোর্ডের উপর গলানো মোম ঢেলে ছোট ছোট বৃত্ত তৈরী
করুন |   এই বৃত্তগুলোর শেপের উপর নির্ভর করবে গোলাপের পাপরিগুলোর সাইজ কেমন হবে।
বড় গোলাপ করতে চাইলে বৃত্তগুলোও বড় আকারের করতে হবে।
কমপক্ষে ৬টির কমে বৃত্ত তৈরী করা যাবেনা।  তা নাহলে গোলাপ দেখতে সুন্দর লাগবেনা।
মোমের বৃত্তগুলো একটু নরম থাকতে থাকতে ছুরি দিয়ে তুলে ফেলুন।
ছবির মতো করে রশির গা ঘেষে গোলাপের পাপড়ির মতো করে প্যাচাতে থাকুন।
এবার দেখুন গোলাপের মতো লাগছে কিনা।

এবার চাইলে যেকোনো ফুলদানিতে রাখতে পারেন।

মেরিকুরি

মেরিকুরি ছিলেন ফরাসি বিজ্ঞানী। তার ডাক নাম মানিয়া। তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষনার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পৃথিবীতে তিনি ই একমাত্র মহিলা যিনি দুবার  দুটি বিষয়ে( পদার্থ ও রসায়ন)        নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।


তিনি ১৮৬৭ সালের ৭ই নভেম্বর পোল্যান্ডের ওয়ারসাতে জন্মগ্রহন করেন।তার পুরো নাম মেরি স্কলোডসকা কুরি। তার  বাবা ব্লাদিয়াভ শক্লোদোভস্কি ছিলেন নামকরা কলেজের পদার্থের অধ্যাপক।
তার মা ছিলেন নামকরা স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। তার বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রতি শনিবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞান ও সাহিত্যের আসর বসানেন।   একসময় তার পরিবারে খুব আর্থিক সংকট দেখা দিলে তিনি এক রুশ আইনজীবির বাসায় গভর্নেসের চাকরী নেন। তিন বছর তাকে চাকুরী করতে হয়।
তার দুবোনের মধ্যে শর্ত ছিল একজনের পড়াশুনা শেষ করে অপরজনের পড়ায় খরচ যোগানো।
তখন তার বড় বোন ব্রোনিয়া ডাক্তারি পাস করে। শর্তানুযায়ি , মেরি তখন তার বোনের সহযোগিতায় বিজ্ঞানে উচ্চ শিক্ষার জন্য অস্ট্রিয়ার অধিনে ক্রাকো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান  | সেখানে তিনি বিজ্ঞান ক্লাসে অংশগ্রহন করতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সচিব তাকে অসম্মতি জানান ,বলেন বিজ্ঞান মেয়েদের জন্য নয়। পরে তিনি…

রবীন্দ্র সংগীত

রবীন্দ্র সংগীত

'সুন্দর বটে তব অঙ্গতখানি, তারায় তারায় খচিত'

গীতিকার-  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সুরকার- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 বছর- ১৯২২
কথা
সুন্দর বটে তব অঙ্গতখানি তারায় তারায় খচিতখচিত
স্বর্নে রত্নে শোভন শোভন বর্নে বর্নে রচিত ||

খড়গ তোমার আরো মনোহর লাগে বাঁকা বিদ্যুতে আঁকা সে,
গরুড়ের পাখা রক্ত রবির রাগে যেনগো অস্ত আকাশে |

জীবন শেষের শেষ জাগরনসম ঝলসিছে মহাবেদনা-
নিমষে দহিয়া যাহা কিছু আছে মম তীব্র ভীষন চেতনা |

সুন্দর বটে তব অঙ্গতখানি তারায় তারায় খচিত
খড়গ তোমার, হে দেব বজ্রপাণি,চরম শোভায় রচিত |

ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে গয়না তৈরী করুন

ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে হার, দুল, ব্রেসলেট ইত্যাদি তৈরী করতে পারেন। যেমন তার দিয়ে হার, কয়েন দিয়ে দুল, কাগজের দুল, জিনস দিয়ে ব্রেসলেট, বোতাম দিয়ে নেক পিস, লুডোর ছক্কা দিয়ে দুল,চাবি দিয়ে হার, সিডি দিয়ে জুতা ইত্যাদি। সার্কিটের মোটা তারকে রং করে হাতের আংগুলের মধ্য পেচিয়ে গোল করেএকটির মধ্যে আরেকটি ঢুকিয়ে তৈরী করুন ট্রেন্ডি হার। পুরানো কয়েন থাকলে তৈরী করতে পারেন দুল। কয়েনের মাথায় ছিদ্র করে পুরানো দুলের পুতির সাথে লাগিয়ে দিতে পারেন।
কাগজের দুল- পাতলা পিজবোর্ডেলাগিয়ে পছন্দমত কাগজ আঠা লাগিয়ে মুড়ে দিন।
এরপর এটিকে ফলের মত আকৃতিতে সেলাই করে নিতে হবে।এরপর পুরনো কানের দুলের উপরের অংশের সাথে লাগিয়ে নিন।আর তৈরী হয়ে গেল কানের দুল।
ব্রেস্টলেট তৈরী-  পুরনো জিনসকে হাতের মাপমতো কেটে টুকরো করে নেন এবং এতে পুতি বা স্টোন বসিয়ে সেলাই করে নিন। এবার টুকরাগুলির একপ্রান্তে একটি বোতাম ও আরেক প্রান্তে একটি বোতামঘর বানিয়ে নিন। আপনার তৈরী হয়েগেল ব্রেসলেট। নেকপিস তৈরী- পুরানো বোতাম নিন এবং একটা চেনের মধ্যে গেথে দিন, আর তৈরী হয়ে গেল আপনার নেকপিস |
লুডোর ছক্কা দিয়ে দুল- লুডোর ছক্কার উপর একটা স্টিক আঠা  দিয়ে লাগিয়ে নিন|আপ…