Skip to main content

Niaz Mohammad chowdhury and his song

Niaz Mohammad chowdhury is a modern and classical singer in Bangladesh and sub continent.
Niaz Mohammad chowdhury
He has borned in 1952 , on January 13. He is very talent from his childhood. At his very young age he received his first training from Ustad Ayatullah. He  was trained by Ustad Amant Ali khan and later he was also trained by Ustad Fatah Ali khan. He has performed several countries in the world. He has awarded many times.  He used to lecturerer at University of California Los Angeles ( 1992).
He has sang many famous gozals and classic songs such as Aj ei bristir kanna dekhe mone porilo tomai,  Prem Jeno ek projapoti,  tumioto besh aso , Dokkho Amar Parini Ekhono Tumake Bujhate
    lyrics- Sawkot Osman Babu
    Music composer-   Shahnewaz

 Song - Jibonanondo   hoea songshare aajo ami
              Sob kisu bhule jeno
               korilem den
              tumioto bes acho
               bhaloi acho
              kobitai pora sei bonolotasen
              tana tana chokhe Kali poreni kuno
              hashleo gale tol pore ekhono. || (2)

              ki jaadu jano ta bidhata janen
              kobitai pora shei bonolotasen
              jibonanondo hoea shongshare aajo aami
              poripati beshbaas temni ache
              ghotonar kuno resh neito kache. (2 )
              ebhabe sobaiki thakte pare
              kobitai pora shei bonolota shen
              jibonanondo hoea shongshare aajo aami
             
             

             

               

Comments

  1. What a fantastic blog I have ever seen. I didn’t find this kind of information till now. Thank you so much for sharing this information. For more information visit buy herbal incense online

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

Petunia Flower

Petunia is a nice hanging pot flower. Its origin from South America.It has 35 species. It is closely related with tomatoes, potatoes, deadly nightsberries,cape goose berries,
chili peppers.Its family Solanaceae.Its scientific classification
kingdom- Plantar
Order- Solanales
Family- Solanacea
Subfamily- Petunioidea
Genus- Petunia


Description- These are herbaceous group and are hairy. These flowers are funnel shaped and its petals are joined together. Its fruits are dry capsule and with two comperments.
Ecology-  Petunias are pollnated by insect. Its flowers are red and pollinating by hummingbird. Petunias have diploid 14 chromosomes, the larvae of the ear corn worm ,  Helicoverpa zia, the cabbage looper, Trichoplusia ni.

Cultivation-  Petunias have capacity to tolerate hot climates and harsh condition.
It needs 5 hours of sunlight everyday. In moist soil and in low humidity these grow well.These plants are grown from seeds. These plants are watered daily in dry region.
These are growt…

পাহাড়ি ফুল

বন তেজপাতা- এ গাছ ছোট আকৃতির ও শাখা প্রশাখাযুক্ত।এর বৈজ্ঞানিক নাম- Melastoma malabathricum.এর পাতা দেখতে তেজপাতার মত ,তাই একে বন তেজপাতা বলে।
এটির ফুল বেগুনী রংয়ের পাঁচ পাপড়ি বিশিষ্ঠ আর মাঝখানে হলুদ রংয়ের।
এই ফুল বর্ষাকালে বেশী ফুটে। এটি বীজ ও কাটিংয়ের মাধ্যমে বংশ বিস্তার করে।
এ ফুলের আদিনিবাস আমেরিকা।এটি আমেরিকাতে  নক্সিয়াস উইড হিসাবে পরিচিত।
এটির ফল পাকলে খাওয়া যায়। এর ফল খেতে মিষ্টি।  এর ডগার পাতা
শাক হিসেবে খাওয়া যায়।
ঔষধি গুন- এর পাতা পেটের অসুখ ও আমাশয় নিরাময়ে ব্যবহার করা যায়।


লান্টানা বৈজ্ঞানিক নাম ( Lantana Camara) এটি ছোট ঝোপাকৃতির গাছ।  এর ডালপালা ছড়ানো।এর পাতা ছোট সবুজ। এটার ফুল হলুদ, লাল ও হালকা গোলাপি রংয়ের। এর আদিবাস আমেরিকা | এ গাছের পাতা গবাদি পশুর জন্য বিষাক্ত। এটি পৃথিবীর প্রায় ৫০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।এর ফুলগুলো ফোটার পর রং বদলায়। এর ফুল পীত থেকে কমলা, কমলা থেকে লাল রংয়ের হয়।পলিনেশন হওয়ার পর এর ফুল রং বদলায়।
এর ফল আন্গুরের থোকার মত, কাঁচা অবস্হায় সবুজ থাকে আর পাকলে গাড় বেগুনী রংয়ের হয়। এর ফল পাকলে মিষ্টি হয়। পাখী এবং অন্যান্য পশুরা এই ফল খায়। ব্যবহার- এটি আসবাবপত্র …

হেনরি ডুনান্ট

হেনরি ডুনান্ট একজন সুইস সমাজকর্মী ও ব্যবসায়ী ছিলেন।তিনি ৮ই মে, ১৮২৮ সালে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৮৫৯ সালে ইতালিতে ব্যবসায়িক কাজে যান এবং সেখানে তিনি সালফেরিনো যুদ্ধ পরিদর্শন করেছেন। তিনি সালফেরিনোর যুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে সালফেরিনোর স্মৃতি নামে বই রচনা করেছিলেন। এটি তাকে ১৮৬৩ সালে আন্তজার্তিক রেডক্রস সোসাইটি কমিটি গঠনে অনুপ্রানিত করে।
১৮৬৪ সালে ডুনান্টের ধারনা নিয়ে জেনেভা কনভেনসন গঠিত হয়।১৮৫৯ সালের সালফেরিনো যুদ্ধে প্রায় ৪০০০০ সৈন্য আহত ও মারা যায়,তখন তাদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার কেউ ছিলনা।
হেনরি তখন পাশের গ্রামের পাদরিদের কাছে তাদের সেবা দেওয়ার অনুরোধ জানান।
তার কথায় পাদরিরা তখন গ্রামের লোকজনের কাছে আহত সৈনিকদের সেবার জন্য আবেদন করে, এতে পুরুষরা রাজী না হলেও নারিরা যেতে রাজী হয়েছিল।সোখান থেকে ফেরার পর তিনি মানব কল্যানে কাজ শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পান। হেনরি মানব কল্যানে তার সব সম্পত্তি বিলিয়ে দিয়েছিলেন।১৬টি দেশ নিয়ে রেডক্রস প্রথম যাত্রা শুরু করে, এখন এর সদস্য সংখ্যা
১৮৮ | এটি বর্তমানে পৃথিবীর সর্ববৃহত সেচ্ছাসেবী ও মানবতাবাদী প্রতিষ্ঠান।
রেডক্রস সাদাকালো, হিন্দু ম…