Skip to main content

Petunia Flower

Petunia is a nice hanging pot flower. Its origin from South America.It has 35 species. It is closely related with tomatoes, potatoes, deadly nightsberries,cape goose berries,
chili peppers.Its family Solanaceae.Its scientific classification
kingdom- Plantar
Order- Solanales
Family- Solanacea
Subfamily- Petunioidea
Genus- Petunia
Petunia
Petunia


Description- These are herbaceous group and are hairy. These flowers are funnel shaped and its petals are joined together. Its fruits are dry capsule and with two comperments.
Petunia
Petunia
Ecology-  Petunias are pollnated by insect. Its flowers are red and pollinating by hummingbird. Petunias have diploid 14 chromosomes, the larvae of the ear corn worm ,  Helicoverpa zia, the cabbage looper, Trichoplusia ni.

Cultivation-  Petunias have capacity to tolerate hot climates and harsh condition.
It needs 5 hours of sunlight everyday. In moist soil and in low humidity these grow well.These plants are grown from seeds. These plants are watered daily in dry region.
These are growth in late spring .  It needs use fertilizer weekly or monthly and it grows well quickly. In hanging baskets it can be cultivated. Multiflora, cascadia, Supertunia, Surfinia, Wave, Grandiflora etc are included.
Uses- Petunias are uses for decoration .
There are various species available such as P.axillaris, P. exerta, p. inflatable, p. interior, P. Saxicola, P. reitzii.

Comments

  1. Using the secure parking at Luton airport, people can avoid all the airport parking problems.

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

পাহাড়ি ফুল

বন তেজপাতা- এ গাছ ছোট আকৃতির ও শাখা প্রশাখাযুক্ত।এর বৈজ্ঞানিক নাম- Melastoma malabathricum.এর পাতা দেখতে তেজপাতার মত ,তাই একে বন তেজপাতা বলে।
এটির ফুল বেগুনী রংয়ের পাঁচ পাপড়ি বিশিষ্ঠ আর মাঝখানে হলুদ রংয়ের।
এই ফুল বর্ষাকালে বেশী ফুটে। এটি বীজ ও কাটিংয়ের মাধ্যমে বংশ বিস্তার করে।
এ ফুলের আদিনিবাস আমেরিকা।এটি আমেরিকাতে  নক্সিয়াস উইড হিসাবে পরিচিত।
এটির ফল পাকলে খাওয়া যায়। এর ফল খেতে মিষ্টি।  এর ডগার পাতা
শাক হিসেবে খাওয়া যায়।
ঔষধি গুন- এর পাতা পেটের অসুখ ও আমাশয় নিরাময়ে ব্যবহার করা যায়।


লান্টানা বৈজ্ঞানিক নাম ( Lantana Camara) এটি ছোট ঝোপাকৃতির গাছ।  এর ডালপালা ছড়ানো।এর পাতা ছোট সবুজ। এটার ফুল হলুদ, লাল ও হালকা গোলাপি রংয়ের। এর আদিবাস আমেরিকা | এ গাছের পাতা গবাদি পশুর জন্য বিষাক্ত। এটি পৃথিবীর প্রায় ৫০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।এর ফুলগুলো ফোটার পর রং বদলায়। এর ফুল পীত থেকে কমলা, কমলা থেকে লাল রংয়ের হয়।পলিনেশন হওয়ার পর এর ফুল রং বদলায়।
এর ফল আন্গুরের থোকার মত, কাঁচা অবস্হায় সবুজ থাকে আর পাকলে গাড় বেগুনী রংয়ের হয়। এর ফল পাকলে মিষ্টি হয়। পাখী এবং অন্যান্য পশুরা এই ফল খায়। ব্যবহার- এটি আসবাবপত্র …

হেনরি ডুনান্ট

হেনরি ডুনান্ট একজন সুইস সমাজকর্মী ও ব্যবসায়ী ছিলেন।তিনি ৮ই মে, ১৮২৮ সালে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৮৫৯ সালে ইতালিতে ব্যবসায়িক কাজে যান এবং সেখানে তিনি সালফেরিনো যুদ্ধ পরিদর্শন করেছেন। তিনি সালফেরিনোর যুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে সালফেরিনোর স্মৃতি নামে বই রচনা করেছিলেন। এটি তাকে ১৮৬৩ সালে আন্তজার্তিক রেডক্রস সোসাইটি কমিটি গঠনে অনুপ্রানিত করে।
১৮৬৪ সালে ডুনান্টের ধারনা নিয়ে জেনেভা কনভেনসন গঠিত হয়।১৮৫৯ সালের সালফেরিনো যুদ্ধে প্রায় ৪০০০০ সৈন্য আহত ও মারা যায়,তখন তাদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার কেউ ছিলনা।
হেনরি তখন পাশের গ্রামের পাদরিদের কাছে তাদের সেবা দেওয়ার অনুরোধ জানান।
তার কথায় পাদরিরা তখন গ্রামের লোকজনের কাছে আহত সৈনিকদের সেবার জন্য আবেদন করে, এতে পুরুষরা রাজী না হলেও নারিরা যেতে রাজী হয়েছিল।সোখান থেকে ফেরার পর তিনি মানব কল্যানে কাজ শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পান। হেনরি মানব কল্যানে তার সব সম্পত্তি বিলিয়ে দিয়েছিলেন।১৬টি দেশ নিয়ে রেডক্রস প্রথম যাত্রা শুরু করে, এখন এর সদস্য সংখ্যা
১৮৮ | এটি বর্তমানে পৃথিবীর সর্ববৃহত সেচ্ছাসেবী ও মানবতাবাদী প্রতিষ্ঠান।
রেডক্রস সাদাকালো, হিন্দু ম…